Skip to main content

***FACEBOOK সুন্দরী***


*..হই যদি এমন..


নিদ্রাহীন রাত-দিন সময় এ মন
কাটেনা একাকী যখন.তখন,
হারিযে যাওয়ার ঠিকনা
আজ তবু হয়নি এমণ,
স্বপ্ন আসে বন্ধ চোখে
হাতছানি, ধুকপুকানি, হৃদরোগে- শোকে.
কত আশা ভালোবাসা, হয়নি বলা
মনে মনে শুধু, আজ মনে মনে তোকে.
ভয় ভিত যত বাধা বিধছে
বদ্ধ মনে সঙ্গোপনে ভিড়ছে
যত যত সব ভুল ভুল আজ হচ্ছে যখন-
তবু কভু আমি হই যদি পাগল এমন..
---------------------------------------------------------------------------------------------------

*FACEBOOK সুন্দরী

অপূর্ব ললাট চোখ মায়াবী ,
উফ কি দারুন তোমার এ ছবি,
PROFILE ঘেঁটে দেখি ,
ও মা এ কি!!
"FOLLOWER" দের পড়েছে কত হাকাহাকি।
বন্ধুত্ব পাতাতে ছেলেরা তো  নাজেহাল,
 দুষ্টু !! বোঝেও না এ যে "NIKON/CANON" এর কামাল,
এত কিছুর পরেও ওগো নারী,
জানি আমি করছি একটু বারাবারি,
আসলে প্রশ্ন শুধু একটাই মনে দিচ্ছে সুড়সুড়ি ,
সব-ই কি সত্যি নাকি  অবাস্তব বল "FACEBOOK সুন্দরী "!!
---------------------------------------------------------------------------------------------------------------

*শুধু তোমাকেই


এখনও তোমাকেই খুঁজি
   বিবর্ণ নগরীতে
পদাতিক জীবনের মুক্ত পথে
   হেঁটে চলেছি অবিরাম আনন্দে।

তোমার বিপুল জাগরণের মধ্যে
   যে অকৃপণ পিপাসার জল-
বৈশাখের রৌদ্রছায়ায় অক্লান্ত দিগন্ত-আরতিতে,
   পলাশে আর ছাতিমে
বুকের ভিতরের বিক্ষত স্মৃতিচিত্রে
   তোমাকেই খুঁজি, কবি - এখনও।।

----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

*পাগল

   
বালি থেকে ট্রেনে উঠে চলতেছিল ব্যাণ্ডেল
সেই পথেতেই সুভাষকাকুর ছিঁড়ে গেল স্যান্ডেল
সেই চিন্তাই করতে চালক বেসামাল করলেন হ্যাণ্ডেল
ট্রেন এর ধাক্কায় উরে গেল মস্ত বড় প্যান্ডেল
সুভাষকাকু লাফিয়ে হাঁটেন একটি পা উঁচিয়ে
দৌড়ে এসে এক মুচি পায়ে চামড়া দিলেন পেঁচিয়ে
এক পায়ে তার সৌখিনতা আর পায়ে তার  মন্দ
সেইতে দেখে হাসতে থাকেন পাগলা অবলানন্দ
পাগলার সেই হাসি দেখে সুভাষকাকু গেলেন চোটে
তেড়ে গিয়ে বলেন তিনি বড্ড সাহস দেখিরে বটে
পাগল হাসতে হাসতে ছোটে , পিছন পানে মুখ করে
তাড়ে ধরতে সুভাষকাকু গেলেন পা মচকে পড়ে
পাগলা দাঁড়ায় পিছন ফিরে হাততালি দেয় খুব জোরে
“ ওরে বাবা তোল নাকও এবার বুঝি গেলাম মরে।”

-------------------------------------------------------------------------------------------------------

*ছকের ছবিগুলো

   

এক
শিক্ষিতা রমা বউ হয়ে এলো। শাশুড়ী কনকলতার গর্বে বুক ভরে গেল। যৌথ পরিবারে একমাত্র রমাই তার ছেলের বউ। শিক্ষিত তাই কানকলতার দেমাক।
     বাড়িতে অতিথি আগমনে কনকলতা বেজায় খুশি। সবাইকে তার বৌমার পরিচয় পর্ব শেষ করে জলখাবারের ব্যবস্থা করতে বলল রমাকে।
     রমা যথারীতি শাশুড়ির কথামত জলখাবারের ব্যবস্থা করে ফেলল তাড়াতাড়ি। কিন্তু এ কি ঘটনা! বেশ কয়েকটা পিপড়ে চায়ের কাপে ভাসছে দেখে
কনকলতা চেঁচিয়ে উঠল - এ কি ,বৌমা , কি করেছ? চায়ে পিপড়ে কেন?বৌমা রমার উত্তর- ভাসবেই তো , চিনি ভারী, তাই নিচে পড়ে। পিপড়ে হালকা , তাই ভেসে
উঠেছে ....এটাই তো সবাইকে শেখাবো বলে এই ব্যবস্থা। কনকলতা , কি বলবে বুঝতে না পেরে বৌমার দিকে তাকিয়ে বলল - শিক্ষিত বউ , কত কি জানে!
তোমরা কি এসব জানতে ? জেনে নাও।।

দুই
আজ পার্কে নারী জাগরণ সভা হবে। প্রচুর ভীড় হবার জন্য , কয়েকদিন ধরেই নানান আয়োজন। যাই হোক পার্কে গিয়ে দেখি বেশ ভালই ভীড় হয়েছে। মহিলারা প্রচুর এসেছেন।
সভায় সকল বক্তারা মহিলা নেত্রীর দল।পাড়ার লীলাদি ওঁর স্বামীকে নিয়ে সভায় উপস্থিত হলেন দেখে ,অনেকে চোখ চাওয়া -চাওয়ি করলো ! তাতে কিছু যায় আসে না লীলাদির,
কারণ অপরেশবাবু যিনি লীলাদির স্বামী .একজন নামী সমাজসেবী! যাই হোক, ভাষণ শুরু হলো। নারী জাগরণের নানান কৌশল বর্ণিত হলো উদাত্ত কন্ঠে। একজন মহিলা বক্তৃতা
সেরে নামার আগে হঠাত্ চেঁচিয়ে কটা কথা বলে ফেললেন " এবা থেকে সব পুরুষেরাও বিয়ের পরে সিঁদুর ফোঁটা দিতে হবে , মেয়েরা কেবল বিয়ের চিহ্ন বহে বেড়াবে না একাই। আপনাদের সকলের সহমত চাই। লীলাদি তাড়াতাড়ি করে স্বামীর হাত ধরে সভা ছেড়ে পালিয়ে বাঁচে ;লীলাদেবী জানেন স্বামীকে ধরে রাখা যাবে না আর। আজীবন কুমারী মেয়েদের পথেঘাটে চলা দায় হয়ে উঠবে ,তখন নেতারা দেশের কাজ ভুলে মেয়েদের পিছনে সময় কাটাবেন তাদের চালচলন য়্হিক করতে। লীলাদেবী জানেন -অপরেশবাবু সিঁদুরের মেঘ দেখে
বড্ড ভয় পায়।

তিন

নমিতা একাই shopping করতে ভালিবাসে ,কেননা স্বামী থাকলে বড্ড সমঝে চলতে হয়। টাকা পয়সা নিয়ে পকেট ভাঙ্গানো , নমিতা পেরে ওঠে না।
    এক বিকেলে নমিতার স্বামী বেশ কিছু টাকা পয়সা বাড়ির আলমারিতে রেখে চাবি না মেরেই চলে আসে বউ নমিতাকে নিয়ে বাজারে।
    নমিতা পরখ করার জন্য মনে করিয়ে দেয় - হ্যা গো ,আলমারিটা খুলে এলে যে বড়, চাবি দাও নি তো ....... চুরি হয়ে গেলে- অতগুলো টাকা ,আমিতো দেখে এসেছি !
স্বামীর উত্তর "তুমি তো আমার সঙ্গেই এসেছ ,চাবি না দিতে কিছু ভুল করিনি "!
 নমিতা কট্ মট্ করে তাকিয়ে রইল স্বামীর দিকে ! শপিং -এ এসে ক্ষতি-ই হলো তার।।

চার

রামতনু বাবুর বৈগ্জ্ঞানিক হিসেবে নামডাক। তিনি এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে তার এক নতুন আবিষ্কারের কথা জানালেন। এমন এক রাসায়নিক পদার্থ অব আবিষ্কার করা সম্ভব
যা কিনা যেকোনো কঠিন পদার্থকে গলিয়ে দিতে পারে। এক সাংবাদিক বলে উঠলেন , স্যার ... এই রকম আবিষ্কার নোবেল পুরস্কার আনতে পারে - আপনি স্যার পদার্থটা দেখান।
রাম্তানুবাবু হতাশ হয়ে বক্তব্য রাখলেন .....অতি তো মুশকিল। পদার্থটা আবিষ্কার করে ফেলেছি .....কিন্তু রাখার পত্র বা জায়গা পাচ্ছিনা . রাখলেই তো সেই জিনিসটা বা জায়গাটা গলে যাবে। আমি  মনের ভেতর ছাড়া কথাও ধরে রাখতে পারছি না , দেখাবো কি করে? .....সকলে বোকা বনে গেল।।
 

Comments

Popular posts from this blog

**কষ্টকে ভালোবেসে আমি কবি হবো**

আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকে আলাদা, তোর পুতুল খেলার সংসার, রংচঙে সাজানো গোছানো, তোর চুলের ক্লিপ, ধোয়া তোয়ালে,পোশাক রং মেলানো, আমিও সেই জগতের পভোলা এক পথিক শুধু, কখনও ভ্রমর হয়ে ফুলের থেকে চুরি করে একটু মধু, বাদবাকি খোঁচা-খোঁচা দাড়ি-গোঁফে,আমি কালো সাদা, আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকেই আলাদা । আমার ভালো লাগে মেঘলা আকাশ, এক-পশলা ইলশেগুঁড়ি, রাতজাগা পাখির ডাক আর পুর্নিমাতে চাঁদেরবুড়ি, সেই জগতে কোনোখানেও ভুল করেও আসবিনা তুই, অথচ সবের পরেও দুইজনেতে একই খাটেই শুই, একই ঘরে দুজনার দুই পৃথিবী বাঁচবে আধা-আধা, আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকেই আলাদা । তোর সাথে রং মিলিয়ে আমি, চাইলে হয়ত পাল্টাতেও পারি, তোকেও হয়ত ভুল বুজিয়ে, আমার জগতে ডেকে নিতে পারি, কিন্তু সেতো নিছক জীবনের সাথে সমঝোতাই হবে, দুই পৃথিবীর দুটো জীবন তখন কি আর জীবন-খুঁজে পাবে ? ----------------------------------------------------------------------------- সমুদ্র হোক বা পাহাড়, নদী হোক বা পর্বত, দৃষ্টির আরাম-খুজতে আমরা সবাই ছুটে যেতে চাই । আর,শুধু কি চোখের আরাম ? সাথে কাজের বিরাম, মুখের আরাম,সঙ্গে পেটে একটু রঙিন জল পড়লে, প...

*** শ্রীজাত **

ভাঙছে ঠুনকো আড্ডা সাতটা লাল চা, বিস্কুট দাম মেটাচ্ছে খুচরো। অল্প-অল্প বৃষ্টি একলা হাঁটছি, আস্তে স্বপ্ন বলতে চাকরি অস্ত্র বলতে ধান্দা সত্যিমিথ্যে বন্ধু পেট গোলাচ্ছে, যাক গে ফিরতে ফিরতে রাত্তির ভাত সামান্য ঠান্ডা খাচ্ছি, গিলছি, ভাবছি ছোট্টো একটা জানলার পাল্লা ভিজছে হয়তো, নীলচে শান্ত পর্দা একটু-একটু দুলছে, চুল গড়াচ্ছে বিছনায়, পাতলা, স্বচ্ছ নাইটি… -------------------------------------------------------------------------- সহজভাবে পড়তে আসি দরাজ পাঁচিল, রোদের চিকন হালকা সেসব শব্দ, তবু তোমরা বল দেওয়াল লিখন সহজভাবে দেখতে আসি টুকরো কাপড়, রঙের মজা হাওয়ায় কেমন দিব্যি ওড়ে, তোমরা বল জয়ধ্বজা সহজভাবে শুনতে আসি ভালই লাগে আমারও গান সুরের যত রকমসকম - তোমরা বল দাবি, স্লোগান সহজভাবে হাঁটতে আসি আলগা পায়ে আলতো হোঁচট পথের ধারে খোলামকুচি তোমরা বল বিরুদ্ধজোট এসব যদি সহজ না হয় সহজ তবে বলব কাকে? তার চাইতে তোমরা বরং জটিল করে দাও আমাকে। ------------------------------------------------------------------------- সারারাত ঝড়ের পরে তোমার কাছে আসা ভেবেছি শিখিয়ে দেব সকালবেলার ভাষা সকালের গাছগুলো সব নিথর, জড়োসড়ো অভি...

***ভালোবাসা পুঁজি করে নেমে পড় জীবনযুদ্ধে ***

একটা ব্যাকডেটেড মেয়ে খুজে নাও । যে ভালোবাসি বলার আগে তিনবার হোচট খাবে । মাঝে মাঝে হাল্কা শাসনে যে মনে করিয়ে দিবে জীবনের কথা । এত্তোগুলা ভালোবাসা পুঁজি করে নেমে পড় জীবনযুদ্ধে । বাসের ভিড়েপরম যত্নে শরীর দিয়ে আড়াল কর তার খোপার উদ্দেশ্যে কিনে নেয়া রক্তগোলাপটাকে। একটা ভালো ছবি তুলে বেড়ে যাক তোমাদের ভালোবাসা । শীতার্ত সন্ধ্যায় চায়ের কাপ টুকু ভাগাভাগি করে বুঝে নাও তোমাদের ভাল থাকার অধিকার। কপালে নেমে আসা ওর দুএকটা চুলে আঙ্গুল বোলাও অবুঝ আহ্লাদে । কোন এক শীতার্ত দুপুরে কোনও পার্কে ডুব দাও তার ঠোঁটের আটলান্টিকে। শুধু একটা ব্যাকডেটেড মেয়ে খুজে নাও ... ভালোবাসার থার্মোমিটার ফাটিয়ে দাও!!! ---------------------------------------------------------------------- আমার শব্দ চয়নে আভিজাত্য নেই; প্রতিদিনকার চাল,ডাল, লবণ পিয়াজের মতো নিত্যনৈমিত্তিক খাবারে মতো সাধারণ শব্দে আমার কাব্য যেমন সাধারণ আমার পরিধেয়। তোমাকে ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় বিলাসিতা! যদি আমাকে ভালবেসে পাশে থাকো তবে আমি চিরকাল সাধারণই থাকবো যা আমার আমিত্বের প্রকাশ। আমি সব হারাতে প্রস্তুত; কিন্তু আমার...