Skip to main content

**যাদের গার্ল ফ্রেন্ড নেই তাদের জন্য***




প্রথম ধাপ প্রপোজ করা। একেক মেয়ের ক্ষেত্রে একেক রকম। কেউ চায় আপনাকে জাচাই বাছাই করে সিওর হয়ে নিতে যে আপনি আসলেই সিরিয়াস কিনা ( এই ধরনের মেয়েগুলা নিজেরাও সিরিয়াস হয়, আর প্রতারনার সম্ভাবনা কম থাকে), কেউ আবার এক কথায় রাজি। কাউকে আবার কিছু না দিলে পটে না। এক্ষেত্রে আমার সতর্কবাণী হল "এমন মেয়ে খুজুন যার ছেলে বন্ধু নাই। ছেলেদের সাথে প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না। কারন মনে রাখবেন, একটি ছেলে আর একটি মেয়ে কখনও বন্ধু হতে পারে না (ব্যতিক্রম খুব কম),কিছু না কিছু তাদের মাঝে থাকবেই।হক না সেটা একটু ভাললাগা। আর আপনাকে একদম ই পছন্দ করে না, কিন্তু আপনি পুরা ফিদা, এমন সম্পর্কও সাধারনত টিকে না।



শুরু করুন ফুল দিয়ে। কারন ফুল পছন্দ করে না এমন মেয়ের সংখ্যা খুব কম। জেনে নিন তার প্রিয় ফুলের নাম আর রং। বিশেষ কোন ফুল তার পছন্দের তালিকায় না থাকলে, এক্সোটিক কোন ফুল দিন। যেমন কারনেসন।



হাত ধরাটা বেশ বড় একটা ব্যপার যদি আপনাদের দুজনের কাছে এটাই প্রথম হয়। সাহস করে ধরে ফেলুন। তবে একেবারে প্রথম দিকেই নয়। সময় নিন কিছু দিন। তাকে বোঝান যে আপনি সিরিয়াস। মেয়েরা এই ব্যপারতা খুব খেয়াল করে।



চলে যান কোন নিরিবিলি রেস্টুরেন্টে। নিজেদের কথা বলুন। কিভাবে আপনি তার প্রতি আকৃষ্ট হলেন, কিভাবে তাকে চিনলেন, এই ব্যপারগুলা বলুন। মেয়েরা এই জিনিসগুলা খুবই পছন্দ করে। আর একটা ব্যাপার এ খেয়াল রাখুন। মাঝে মাঝে চেষ্টা করুন তাকে হাসাতে। মেয়েরা এমন ছেলে পছন্দ করে ( সবাই না) । হাশালে আপনাদের মাঝে দূরত্ব কমবে।


সময় এখন রেস্টুরেন্টের বাইরে যাবার। সম্পর্কটাকে একটু বাইরের প্রাকৃতিক আলো বাতাসে সজীব করুন। এতে দুজন ই কাছাকাছি হওয়া যাবে। এক্ষেত্রে গাড়ির চেয়ে রিকসা ভাল।



দুজনে পাশাপাশি হাতে হাত ধরে হাঁটুন কোন ফাকা জায়গায়। তার প্রতিটি কথা গুরুত্ব সহকারে শুনুন। তাকে বোঝান, আপনার কাছে তার গুরুত্ব কতটুকু।



পাশাপাশি বসে নিজেদের আগের কথাগুলা শেয়ার করুন যে আগে কে কেমন ছিলেন। সে জানে না এমন কিছু বলার চেষ্টা করুন । এটা বেশ কাজে দিবে।



তার জন্য কবিতা লিখুন যদি পারেন। গান শুনাতে পারেন তাকে।



যত বেশি সম্ভব ছবি তুলুন। এই ছবিগুলা সোনালী সময়ের কথাগুলা মনে করিয়ে দিবে। ছবি তলার আগে তার বিস্বস্ততা অর্জন করুন।



একসাথে স্কেটিং করুন বা বাইকে তাকে ঘুরান।



দেখা করা শেষে অবশ্যই তাকে ড্রপ করে আসুন। মেয়েরা সবচেয়ে যে জিনিসটি দেখে সেটার মাঝে অন্যতম হল, আপনি কেয়ারিং কিনা।



তার সাথে এতটাই অন্তরঙ্গ হন, যেন সে তার সুখ দুঃখের সব কথা সবার আগে আপনাকে বলে। তার প্রয়জনে সবসময় চেষ্টা করুন পাশে থাকার যত কাজ ই থাকুক আপনার হাতে।



চেষ্টা করুন মাঝে মাঝে সারপ্রাইজ দিতে। এটা পছন্দ করে না, এমন লোক খুব কম।



সাধ্যের মাঝে চেষ্টা করুন তার পছন্দের কিছু দেবার।





চেষ্টা করুন তার জন্য নিজে কিছু বানাতে। এটা সে অনেক বেশি ফিল করবে একটি সাধারণ গিফট এর চেয়ে।



কিছু হলেই হাত পা কেটে ফেলার দরকার নেই। তার সাথে কথা বলে বুঝুন সমস্যা টা কোথায়। তারপর মিউচুয়াল করুন।



এসব যত দেরিতে করা যায়, ততই ভাল। বিয়ের পর বহুত টাইম পাবেন। কখনও এটা নিয়ে তাকে জোর করবেন না।



এইত। আর কি ! কাহানি শেষ। হ্যাপি এন্ডিং । এবার দুজনে বসে ভালবাসার কাহিনীটা লিখে ফেলুন।

গার্ল ফ্রেন্ড সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখুন। অনেকের ধারণা গার্ল ফ্রেন্ড রা গিফট দেয় না। দেয় কি দেয় না, টা দেখতে কে বলেছে গার্ল ফ্রেন্ড রা গিফট দেয় না !
আমার ধারণা এখান থেকে গিফট দেবার অনেক অপশন পাবেন। আরও সামনে আসছে। অপেক্ষা করুন।


সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ
১- ভালবাসার মানুষটির সাথে প্রতারনা করবেন না।
২- মেয়ে বন্ধুর সংখ্যা কমিয়ে ফেলুন, সম্ভব হলে শূন্যতে । কারন আপনার মেয়ে বন্ধুতি হয়ত আপনাকে বন্ধুর চেয়েও বেশি কিছু ভাবে।
৩- মাঝে মাঝে ঝগড়া করুন ভালবাসার মানুষটির সাথে , নাহলে কিন্তু ভালবাসা পানসে হয়ে যাবে।
৪- কখনও কারো সাথে তাকে তুলনা করবেন না।
৫- ঝামেলা হলে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিবেন।
৬- আরেকজনের গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে টানাটানি করবেন না। দেশে মেয়ের অভাব পড়ে নাই
৭- অতীতে কিছু থাকলে, কিছুদিনের মাঝেই তাকে টা খুলে বলুন। সে নিজে থেকে যদি এটা খুঁজে বের করে, ফলাফল ভাল হবে না।
আবার সম্পর্কের শুরুতেই এসব বলতে যাবেন না।
৮- পোস্ট এ অবশ্যই আপনার কমেন্ট দিবেন।

Comments

Popular posts from this blog

**কষ্টকে ভালোবেসে আমি কবি হবো**

আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকে আলাদা, তোর পুতুল খেলার সংসার, রংচঙে সাজানো গোছানো, তোর চুলের ক্লিপ, ধোয়া তোয়ালে,পোশাক রং মেলানো, আমিও সেই জগতের পভোলা এক পথিক শুধু, কখনও ভ্রমর হয়ে ফুলের থেকে চুরি করে একটু মধু, বাদবাকি খোঁচা-খোঁচা দাড়ি-গোঁফে,আমি কালো সাদা, আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকেই আলাদা । আমার ভালো লাগে মেঘলা আকাশ, এক-পশলা ইলশেগুঁড়ি, রাতজাগা পাখির ডাক আর পুর্নিমাতে চাঁদেরবুড়ি, সেই জগতে কোনোখানেও ভুল করেও আসবিনা তুই, অথচ সবের পরেও দুইজনেতে একই খাটেই শুই, একই ঘরে দুজনার দুই পৃথিবী বাঁচবে আধা-আধা, আমাদের দুজনার পৃথিবী দুটো শুরু থেকেই আলাদা । তোর সাথে রং মিলিয়ে আমি, চাইলে হয়ত পাল্টাতেও পারি, তোকেও হয়ত ভুল বুজিয়ে, আমার জগতে ডেকে নিতে পারি, কিন্তু সেতো নিছক জীবনের সাথে সমঝোতাই হবে, দুই পৃথিবীর দুটো জীবন তখন কি আর জীবন-খুঁজে পাবে ? ----------------------------------------------------------------------------- সমুদ্র হোক বা পাহাড়, নদী হোক বা পর্বত, দৃষ্টির আরাম-খুজতে আমরা সবাই ছুটে যেতে চাই । আর,শুধু কি চোখের আরাম ? সাথে কাজের বিরাম, মুখের আরাম,সঙ্গে পেটে একটু রঙিন জল পড়লে, প...

*** শ্রীজাত **

ভাঙছে ঠুনকো আড্ডা সাতটা লাল চা, বিস্কুট দাম মেটাচ্ছে খুচরো। অল্প-অল্প বৃষ্টি একলা হাঁটছি, আস্তে স্বপ্ন বলতে চাকরি অস্ত্র বলতে ধান্দা সত্যিমিথ্যে বন্ধু পেট গোলাচ্ছে, যাক গে ফিরতে ফিরতে রাত্তির ভাত সামান্য ঠান্ডা খাচ্ছি, গিলছি, ভাবছি ছোট্টো একটা জানলার পাল্লা ভিজছে হয়তো, নীলচে শান্ত পর্দা একটু-একটু দুলছে, চুল গড়াচ্ছে বিছনায়, পাতলা, স্বচ্ছ নাইটি… -------------------------------------------------------------------------- সহজভাবে পড়তে আসি দরাজ পাঁচিল, রোদের চিকন হালকা সেসব শব্দ, তবু তোমরা বল দেওয়াল লিখন সহজভাবে দেখতে আসি টুকরো কাপড়, রঙের মজা হাওয়ায় কেমন দিব্যি ওড়ে, তোমরা বল জয়ধ্বজা সহজভাবে শুনতে আসি ভালই লাগে আমারও গান সুরের যত রকমসকম - তোমরা বল দাবি, স্লোগান সহজভাবে হাঁটতে আসি আলগা পায়ে আলতো হোঁচট পথের ধারে খোলামকুচি তোমরা বল বিরুদ্ধজোট এসব যদি সহজ না হয় সহজ তবে বলব কাকে? তার চাইতে তোমরা বরং জটিল করে দাও আমাকে। ------------------------------------------------------------------------- সারারাত ঝড়ের পরে তোমার কাছে আসা ভেবেছি শিখিয়ে দেব সকালবেলার ভাষা সকালের গাছগুলো সব নিথর, জড়োসড়ো অভি...

***ভালোবাসা পুঁজি করে নেমে পড় জীবনযুদ্ধে ***

একটা ব্যাকডেটেড মেয়ে খুজে নাও । যে ভালোবাসি বলার আগে তিনবার হোচট খাবে । মাঝে মাঝে হাল্কা শাসনে যে মনে করিয়ে দিবে জীবনের কথা । এত্তোগুলা ভালোবাসা পুঁজি করে নেমে পড় জীবনযুদ্ধে । বাসের ভিড়েপরম যত্নে শরীর দিয়ে আড়াল কর তার খোপার উদ্দেশ্যে কিনে নেয়া রক্তগোলাপটাকে। একটা ভালো ছবি তুলে বেড়ে যাক তোমাদের ভালোবাসা । শীতার্ত সন্ধ্যায় চায়ের কাপ টুকু ভাগাভাগি করে বুঝে নাও তোমাদের ভাল থাকার অধিকার। কপালে নেমে আসা ওর দুএকটা চুলে আঙ্গুল বোলাও অবুঝ আহ্লাদে । কোন এক শীতার্ত দুপুরে কোনও পার্কে ডুব দাও তার ঠোঁটের আটলান্টিকে। শুধু একটা ব্যাকডেটেড মেয়ে খুজে নাও ... ভালোবাসার থার্মোমিটার ফাটিয়ে দাও!!! ---------------------------------------------------------------------- আমার শব্দ চয়নে আভিজাত্য নেই; প্রতিদিনকার চাল,ডাল, লবণ পিয়াজের মতো নিত্যনৈমিত্তিক খাবারে মতো সাধারণ শব্দে আমার কাব্য যেমন সাধারণ আমার পরিধেয়। তোমাকে ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় বিলাসিতা! যদি আমাকে ভালবেসে পাশে থাকো তবে আমি চিরকাল সাধারণই থাকবো যা আমার আমিত্বের প্রকাশ। আমি সব হারাতে প্রস্তুত; কিন্তু আমার...